আগৈলঝাড়ার কন্যা চরআবদানীর গৃহবধূ ২৪ দিন ধরে নিখোঁজ

আগৈলঝাড়া প্রতিবেদক॥ নিখোঁজের ২৪দিনেও খোঁজ মেলেনি আগৈলঝাড়ার হালিমার। থানায় সাধারণ ডায়েরী নিলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। থানায় লিখিত অভিযোগ ও বাবা জানান, উপজেলার পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের ইউনুস মোল্লার মেয়ে হালিমা আক্তার রীতার (২৩) সাথে সামাজিকভাবে পাঁচ বছর আগে চর আবদানী এলাকার মোজাফ্ফর খানের ছেলে সাহাদাত হোসেন খানের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে সাফায়েত নামে ৪ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। রীতার বিয়েতে তার বাবা ৫০ হাজার টাকা নগদ, স্বর্নালংকারসহ অন্যান্য মালামাল যৌতুক দেয়। বিয়ের পর থেকেই রীতার স্বামী সাহাদাত তার বাবা, মা ও ভাই মনির রীতাকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক আনার জন্য শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে শুরু করে। রীতা তার বাবার কাছ থেকে কয়েক দফায় লাখ টাকা নিয়ে স্বামীর পরিবারকে দেয়। এর পরেও মারধরের কারণে কয়েকবার রীতা তার বাবার বাড়ি আসতেও বাধ্য হয়। এদিকে সাহাদাত তার ব্যবসার জন্য আরও টাকা এনে দিতে রীতাকে অব্যাহত মারধর শুরু করে। গত ২৪ আগষ্ট দুপুরে সাহাদাত তার শ্বশুর ইউনুস মোল্লাকে ফোন করে জানায় ২৩ তারিখ দুপুরে রাগকরে ছেলেকে বাসায় রেখে রীতা বাসা থেকে চলে গেছে। পরদিন ২৫ তারিখ সকালে রীতার বাবা ইউনুস রীতার শ্বশুর বাড়ি গেলে তারা একেক সময় একেক কথা বলে। এত তাদের সন্দেহ হলে রীতার মামা ইদ্রিস সন্যামত কাউনিয়া থানায় আইনগত সাহায্যর আবেদন জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কাউনিয়া থানার এসআই আলমগীর হোসেন উভয় পরিবারকে আরও খুজতে বলেন। রীতার বাবার অভিযোগ তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য মেরে ফেলে লাশ গুম করেছে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন।  সম্ভাব্য সকল স্থানে খুঁজেও ২৪ দিনে রীতাকে না পেয়ে তারা বিষয়টি ওই থানাকে অবহিত করে রীতা নিখোঁজের মামলা করতে চাইলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এ ব্যাপারে এসআই আলমগীর মামলা না নেয়ার অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, তারা একটি অভিযোগ দিয়েছে। তিনি উভয়ের পরিবারকে আরও খুজতে বলেছেন। তারা মামলা করলে তিনি মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।