আইএচটিআইয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীর ইনস্টিটিউট অব হেল্থ টেকনোলজি (আইএইচটি) শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল তারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ১০ দফা আদায়ের তৃতীয় দফায় আইএইচটি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন শুরু করে। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের সামনে সমবেত হয় আইএইচটি’র প্রায় চারশত শিক্ষার্থী। পরে তারা কপালে সাদা কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে বিশাল এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। প্লাকার্ডে বিভিন্ন দাবী তুলে ধরে শ্লোগান ও বক্তব্য দেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন, কলেজ শিক্ষার্থী জাহিদ বিন বশার আদিব, পার্থ প্রতিম বালা প্রমখ। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তাদের ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নে সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-অবিলম্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের পরিবর্তে “বাংলাদেশ ডিপোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড” গঠন করতে হবে। শুধুমাত্র ৪ বছর মেয়াদী ডিপোমা মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসী কোর্স এর অন্তভূর্ক্ত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী নতুন নতুন পদ সৃষ্টি এবং স্থগিতকৃত নিয়োগ চালু করতে যাবতীয় আইনগত সমস্যা জরুরী ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে হবে। সরকারি চাকুরিতে ডিপোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মসিস্টদের ২য় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদমর্যাদা ও বেতন স্কেল প্রদান করতে হবে। উচ্চ শিক্ষা সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে সকল আই এইচ টি তে ফার্মেসী ও রেডিওথেরাপি সহ সকল বিষয়ে বি.এস.সি ও এম.এম. সি কোর্স দ্রুত চালু করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট/বিএসসি মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের হাসপাতাল ও চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম শ্রেণির পদ সৃষ্টি করে পদায়ন করতে হবে। সেবা পরিদপ্তর এর ন্যায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মসিস্টদের জন্য আলাদা পরিদপ্তর গঠন করতে হবে। ডিপোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মসিস্টদের ক্যারিয়ার বাস্তবায়ন করে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারের সাথে ১৯৮৪ সালের চুক্তি অনুযায়ী ডিপোমা ডেন্টাল টেকনোলজিষ্টদের প্র্যাকটিস রেজিস্টেশন প্রদান এবং রেডিওলজি এন ইমেজিন্স, ল্যাব, ফিজিওথেরাপীতে ডিপোমাধারীদেরকে নিজ কাজের উপর স্বাক্ষর করার অনুমতি প্রদান করতে হবে। মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের জন্য “বাংলাদেশ ইউনিভারসিটি অব মেডিকেল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী” গঠন করতে হবে। সকল প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়গণস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রাইভেট চাকুরির নীতিমালা প্রণয়ন এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা।