অমৃত লাল দে কলেজ ছাত্রী ধর্ষনে পুলিশ সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষন ও সহায়তার অভিযোগে পুলিশ সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে নালিশি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ভিকটিমের দায়ের করা নালিশি অভিযোগে নারী ও শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ আদেশ দেন। অভিযুক্তরা হলো বরিশাল জোনের পপুলার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির কর্মকর্তা পটুয়াখালী ঝিলনা গ্রামের সেলিম হাওলাদারের পুত্র রেজাউল করিম, মেট্রোপলিটন পুলিশ সিদ্দিক, আব্দুর রশিদ হাওলাদারের পুত্র জসিম হাওলাদার, এছাড়াও ঝিলনা গ্রামের সিরাজ সিকদারের ৩ পুত্র বাদল সিকদার, সহিদ সিকদার, বাবুল সিকদার। নালিশিতে উল্লেখ করা হয় বাদী ও অভিযুক্তরা একই এলাকায় বসবাস করে। ভিকটিমের সাথে রেজাউলের বিয়ের কথা হয়। এই সূত্র ধরে রেজাউল ভিকটিমকে নিয়ে ঘোরাঘুরি করে। পরে ঘটনার দিন ১০ অক্টোবর বিয়ের কথা দিয়ে রেজাউল ভিকটিমকে বরিশাল নিয়ে আসে। পরে অন্যান্য অভিযুক্তদের সহায়তায় রূপাতলী মোল্লা মার্কেটে হোটেল মেট্রোপলিটন এ নিয়ে ধর্ষন করে। পরের দিন পুলিশ সিদ্দিক তাদের আটক করে বিয়ের কথা বলে রেজাউলের অফিসে নিয়ে আসে। পরে অফিসে এসে পুলিশ সিদ্দিক ভিকটিমের কাছে ৩ লাখ টাকা পন দাবী করে এবং অন্যান্য অভিযুক্তরা জানায় পনের টাকা না দিলে বিয়ে হবে না। এ ঘটনায় ভিকটিম থানায় মামলা করতে গেলে সিদ্দিক পুলিশি প্রভাব দেখিয়ে মামলা করতে বাঁধা দেয়। এর প্রেক্ষিতে গতকাল আদালতে মামলা দায়ের করলে বিচারক ওই আদেশ দেন।