অবৈধ রশিদে অনৈতিক আয়ে ব্যস্ত নতুন বাজার ফাঁড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ অবৈধ অটোরিক্সা আটক করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে নগরীর নতুনবাজার ফাড়ি পুলিশের বিরুদ্ধে। প্রায় প্রতিদিনই ট্রাফিক পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে আটোরিক্সা আটকে রেখে চাঁদা আদায় করছেন তিনি। এমন অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগি।
নগরীর দপদপিয়া শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সংলগ্নের বাসিন্দা আব্দুর রব কাজীর ছেলে মোঃ শাহীন কাজী জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বটতলা পুলিশ ফাড়ির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান পলাশপুর থেকে তার অটোরিক্সা ভাড়া করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ফাঁড়ির মধ্যে নিয়ে অটোরিক্সাটি আটকে রেখে মালিক কাগজপত্র দেখাতে বলেন। কাগজপত্র না থাকায় তাকে ট্রাফিক অফিসের মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে বলে।
পরবর্তীতে শহীন তার অটোরিক্সার কাগজপত্র নিয়ে ফাঁড়িতে গেলে তার কাছ থেকে লাইসেন্স না থাকায় দুই হাজার ১শ টাকা জরিমানা আদায় করে। এসময় শাহীনকে জরিমানা আদায়ের একটি ভুয়া রশিদ ধরিয়ে দেয়। একই সময় ফাঁড়ি পুলিশের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান কাগজপত্র বিহিন আরো একটি অটোরিক্সা আটকে রাখার পরে চালকের কাছ থেকে ভুয়া রশিদের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন শাহীন নামের ঐ চালক। শুধু এ দুটি অটোরিক্সাই নয় ফাঁড়ি পুলিশের সদস্য মোস্তাফিসের বিরুদ্ধে এ রকমের আরো ডজন খানেক অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে এক ট্রাফিক সার্জনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ফাঁড়ি পুলিশেল মোস্তাফিজ নামের ঐ সদস্য’র বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ বিগত দিনেও পাওয়া গেছে। মোস্তাফিজের সাথে ফাঁড়ি ইনচার্জ ও অন্যান্যরাও জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন ঐ সার্জন। এ বিষয়ে উপরস্থ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি দেয়া জরুরী বলে মনে করেন তিনি।