অনৈতিক কর্মে জড়ানো শেবাচিম ছাত্রকে গনধোলাই ও বিএম কলেজের ছাত্রীকে মায়ের হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রীকে নিয়ে অনৈতিক কর্মে জড়ানোর অভিযোগে ছাত্রকে গনধোলাই দিয়েছে সাধারন শিক্ষার্থীরা। আর বিএম কলেজের অনার্স পড়–য়া ছাত্রীকে মুচলেকায় মায়ের হেফাজতে দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গনধোলাইয়ের শিকার হয়েছে ৪৫ তম ব্যাচের ছাত্র ইমাম রাজিব।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারীরা জানায়, ১ নং জামিলুর রহমান ছাত্রবাসে বেলা ১১টার দিকে ওই ছাত্রী কৌশলে প্রবেশ করে। প্রায় তিন ঘন্টা ধরে ছাত্রাবাসে অবস্থান করলেও কেউ তাদের খুঁজে পায়নি। বিষয়টি নিরাপত্তা প্রহরীদের মাধ্যমে ছাত্রাবাসের জ্যেষ্ঠ ছাত্রদের কাছে পৌছে। তারা ছাত্রাবাসের প্রত্যেক কক্ষে তল্লাশী করে। এক পর্যায় ছাত্রবাসের তৃতীয় তলার ৪৫ তম ব্যাচের ছাত্র ইমাম রাজিবের ৩১৬ নম্বর কক্ষে ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় পায়। তারা অনৈতিক কর্মে জড়ানোর আলামত দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রাবাসের নিচ তলায় ছাত্র সংসদের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। এসময় সিনিয়র এবং জুনিয়র ছাত্ররা ইমাম রাজিবকে গনধোলাই দেয়। এই ঘটনার পরে তরুনীর অভিভাবক (মাকে) সংবাদ দিয়ে ছাত্রাবাসে এনে মেয়েকে তার হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই সাথে পরবর্তীতে এমন কর্মকান্ড না ঘটনানোর জন্য ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের মুচলেকা রেখে দেয় ছাত্রীগের নেতৃবৃন্দ। ছাত্রাবাসের একাধিক ছাত্র অভিযোগ করেন, মেডিকেল কলেজ অর্থপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিন সুপার। কিন্তু ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের দিকে তার তেমন কোন নজর নেই। এমনকি ছাত্রাবাসের ছাত্রদের নিয়ে কোন কমিটি করে দেননি। যে কারনে বহিরাগত মেয়ে নিয়ে কক্ষে প্রবেশের মত আরো বিভিন্ন ধরনের অনিময় এবং অনৈতিক কর্মকান্ড ঘটে।