অনুষ্ঠিত হলো বিএফএফ-সমকাল স্কুল বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিতার্কিকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও যুক্তিতর্কের প্রতিযোগিতায় গতকাল শুক্রবার মুখর ছিল নগরীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। অংশগ্রহণকারী ৮টি বিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা লটারীর মাধ্যমে ৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিতর্কে অংশ নেয়। বিতর্ক শেষে চ্যাম্পিয়ন, রানার আপ ও শ্রেষ্ঠ বিতার্কিকের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান করেন সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বরিশাল- ২ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস।
তিনি পুরস্কার বিতরণের আগে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বিএফএফ-সমকাল জাতীয় স্কুল বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যদি হত্যা করা না হতো, যদি গণতন্ত্রের ধারা ব্যহত না হতো তাহলে দেশ এতদিনে পরিপূর্ন ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিনত হতো। বিতার্কিকদের ক্ষুদে বিজ্ঞানী আখ্যায়িত করে তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি বলেন, বিতর্ক চর্চা ধরে রাখতে হবে। যুক্তির মাধ্যমে বিজ্ঞানের পক্ষে যে তর্ক করা হয়, প্রত্যেক বিতার্কিককে নিজের জীবনের ক্ষেত্রেও তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, বরিশালের বিতার্কিকরা কোন অংশেই জাতীয় পর্যায়ের বিতার্কিকদের চেয়ে পিছিয়ে নেই।
প্রতিযোগিতায় প্রথম রাউন্ডে জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয় পরাজিত করে অক্সফোর্ড মিশন হ্ইাস্কুলকে, জিলা স্কুল পরাজিত করে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে, বরিশাল সরকারী বালিকা বিদ্যালয় নুরিয়া স্কুুলকে পরাজিত করে এবং কাগাশুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরাজিত করে দ্বিতীয় রাউন্ডে উন্নীত হয়।
™ি^তীয় রাউন্ডে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় পরাজিত করে জগদ্বীস সারস্বাত বিদ্যালয়কে এবং জিলা স্কুল হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ফাইনাল রাউন্ডে উন্নীত হয়।
তুমুল এবং মুখর তর্ক-বিতর্কে প্রতি™^দ্বিতাপূর্ন ফাইনালে সরকারী বালিকা বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হয় জিলা স্কুল। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের জান্নাতুল ফেরদৌস রোদেশী।
‘তর্কে বিতর্কে বিজ্ঞানের সাথে’ শ্লোগানকে তুলে ধরে সকাল ১০টায় বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিতর্ক প্রতিযোগীতার উ™ে^াধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা হোসেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রধান সমম্বয়ক ও সমকালের বরিশালের ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জি, সুহƒদ সমাবেশের সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিম, সাধারণ সম্পাদক অসিত রায় এবং বরিশাল ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার সুমন চৌধুরী। পুরো বিতর্ক অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বিডিএস’র বরিশাল সভাপতি আল মাসুদ।
৮ বিদ্যালয়ের বির্তাকিকদের ক্ষুরধার যুক্তিতর্কের মধ্যদিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্য প্রমাণ করে জিলা স্কুল। রানার আপ হয়েছে সরকারী বালিকা বিদ্যালয়।
বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, সরকারি বরিশাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক তপন কুমার সাহা, সরকারী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক লুবনা ইসলাম লুনা, জিলা স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পাপিয়া জেসমিন, শিশু সংগঠক শুভংকর চক্রবর্তী, সাংবাদিক স্বপন খন্দকার, বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটির (বিডিএস) উপদেষ্টা ইফরাত জাহান দিপা, বিডিএস’র সহ সম্পাদক সুমাইয়া ইসলাম সাথী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বিডিএস’র সভাপতি তাসফিয়া ইসলাম টিবা এবং বিডিএস সদস্য প্রীতম চন্দ্র দাস, মৌমিতা শারমিন, নাজমুন নাহার নাসরিন, মোঃ বায়েজিদ ও বিডিএস বিএম কলেজ শাখার সভাপতি বাপ্পী দত্ত।