ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই চলছে ঔষধ বিক্রি ! | | ajkerparibartan.com ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই চলছে ঔষধ বিক্রি ! – ajkerparibartan.com
ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই চলছে ঔষধ বিক্রি !

2:49 pm , December 2, 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঔষধের ফার্মেসীতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে ঘুম ও ব্যথা নাশক ঔষধ। যা এলাকার যুব সমাজ ব্যবহার করছে নেশা হিসেবে। এলাকার যুব সমাজ নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংসের পথে প্রায়। ওষুধ প্রশাসন কতৃপক্ষের নেই কোন নজর ! অনুসন্ধানে জানা গেছে, পলাশপুর, কেডিসি, স্টেডিয়াম কলোনী, ভাটারখাল, রসুলপুর, কাউনিয়া, কাগাশুরা বাজার, মিরগঞ্জ বাজার, লঞ্চঘাট, বাস র্টারমিনাল ও আবাসিক হোটেল এলাকায় ঔষদের দোকানদার অবাদে চালিয়ে যাচ্ছে এ ব্যবসা। জানাযায়, অপারেশন ও বিভিন্ন গুরুতর রোগীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যাথা নাশক এবং ঘুমের ঔষধ প্যথেডিন, নালবন-২, সেডিল, ইফিউম ও ডরমিকাম, ইনোকটিন, সেডিল ট্যাবলেট এবং অফকফ, তুসকা, ফেনাডিল সিরাপ সহ বিভিন্ন ঔষধ যা ডাক্তারী ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি নিষেধ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই অর্থের লোভে হরদমে বিক্রি করছে এ ঔষধ ব্যবসায়ীরা এবং এলাকার যুবসমাজ তা কিনে নেশা হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে অবাদে। যার বাস্তব নিদর্শন রয়েছে, পলাশপুর ৫ নং ওয়ার্ডের ৭ নং গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন কালবার্ড ব্রিজের পাশে একটি আটোরিক্সার গ্রেজের পিছনে। যেখানে বসে মাদক সেবীরা এসব মাদক গ্রহন করেন দিন রাত। তারা আরো জানাযায়, এই ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের কবলে পরে মাদকাসক্ত হয়ে নিজের ভারসম্য হারিয়ে ফেলেন ঐ এলাকার যুবকরা। শুধু তাই নয় বস্তির এলাকা গুলোাতে রয়েছে হায়-হায় কোম্পানীর বড় বড় হারবালের দোকান। নেই তাদের কোন ধরনের লাইন্সে। নেই কোন অভিযান। তাই বর্তমানে তাদের ব্যাবসা চলছে জমজমাট। শুধু তাই এখানে সরকারী নিষিদ্ধি ওষুধও বিক্রি হচ্ছে পাল্লাদিয়ে। পলাশপুর এলকার যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখবে ভূয়া ডাক্তারের বড় বড় সাইনবোর্ড। স্থানীয় পুলিশ প্রসাশন ও সচেতন জনপ্রতিনিধিদের চোখে বুড়ো আগুল দিয়ে নিরবে চালিয়ে যাচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক ব্যবসা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এই ঔষধ ফার্মেসীর আড়ালেই চলছে এ ঔষধ নামক মাদকের রমরমা ব্যবসা। প্রতিদিন সাধারন মানুষের মতই এলাকার যুবসমাজ বিভিন্ন ভাবে ভিড় জমাতে থাকে এ ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে এবং লোকচক্ষুর আড়ালেই ব্যবস্থাপত্র ছাড়া চলতে থাকে ঔষধ নামক মাদক কেনা বেচা। গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ বেচা-কেনা। কি আর বলবো বাবা? অগো কারনে আমার পোলাডাও নেশাগ্রস্থ হইয়া গেছে, কিছু বললে আমাগো উপরে হাত তোলে, এভাবে অসুপূর্ণ চোকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক মাদক সেবীর বাবা জানান, বাবারে বর্তমানে পুলিশের ধারে কিছু কইনা কারণ, তাইলে আমরা গরীব মানুষ আমাগো উপরে চাপ পরবে। হেনস্তা হইতে হবে তাদের কাছে, আর সমাজে তো যারা এই মাদকের লগে জড়িতো তাগো গায়ের জোড় বেশি। তাই পত্রিকার মাধ্যমে পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের কাছে জানাই এই অসাধু অর্থলোভী ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের হাত থেকে এলাকার যুবসমাজকে যেন রক্ষা করে। আর কোন মা বাবার সন্তান যেন নেশাগ্রস্থ না হয়। এ ব্যপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, এদের ঔষধ বিক্রির সঠিক কাগজ পত্র আছে কিনা, তাও আমার জানা নাই। আর যে যেই ঔষধ চায় তাই দিয়ে দেয়। তবে ব্যাথা নাশক ও ঘুমের ঔষধ ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া বিক্রি করা নিষেধ থাকলেও তারা বিক্রি করতেছে। তবে আপনাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রসাশন ও ড্রাগ এসোসিয়েশন এর দৃষ্টি আকর্ষন করে এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা এই ঔষধ নামক মাদক বিক্রি করে এলাকার সম্মান ক্ষুন্য করতেছে এবং এলাকার যুব সমাজ ধ্বংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT