বিতর্কিতদের নিয়েই গঠন হলো বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ! | | ajkerparibartan.com বিতর্কিতদের নিয়েই গঠন হলো বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ! – ajkerparibartan.com
বিতর্কিতদের নিয়েই গঠন হলো বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ !

2:46 pm , November 9, 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দেশ জুড়ে আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান চলছে। এ অভিযানে অনুপ্রবেশকারী, মাদক সেবী, চাঁদাবাজ ও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চলা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে দলটি। কিন্তু সেই মুহুর্তে বিতর্কিতদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি। এ কমিটিতে এলাকার চিহ্নিত মাদক সেবী এবং চাঁদাবাজি মামলার আসামিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে উপজেলার নেতৃবৃন্দর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানাগেছে, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে তৃনমুল আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করণ কাজ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। মুল দলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নতুন করে গঠন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে গত ৭ নভেম্বর বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা কমিটি। এই কমিটিতে সভাপতি মো. কামাল হোসেন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক বুবুল সমাদ্দারকে করা হয়েছে। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদে বাবুল মাঝি ও আনিচুর রহমান টিটু এবং যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে মো. মনির হোসেন ও ডালিম কাজীকে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ‘কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এইসব পদে যারা স্থান পেয়েছেন তারা সাবাই বিতর্কিত। রয়েছে মাদক সংশ্লিষ্টতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। এর মধ্যে সভাপতি পদে আসা মো. কামাল হোসেন এলাকার সর্বোচ্চ বিতর্কিত বলে জানাগেছে। উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের বাসিন্দা কামাল হোসেন এলাকায় ডিজিটাল কামাল নামেই পরিচিত। কেউ কেউ তাকে উপজেলার অন্যতম ইয়াবা স¤্রাট বলেও আখ্যা দিয়েছে। নতুনহাট, রাহুতকাঠি, চরসাদুকাঠি বাজার, বাহেরচর মেডিকেল, নতুন চর উচ্চ গ্রামের দুটি ইটের বাটায় চললে তার ইয়াবার পাইকারী ব্যবসা। এসব করতে গিয়ে ক্ষমতাসিন দলের নামটিই ব্যবহার করছেন ডিজিটাল কামাল। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে ইটভাটায় চাঁদাবাজির অভিযোগে এক আওয়ামী লীগ নেতা মামলাও করেন। বিতর্কের বাইরে নেই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ওরফে ম্যাগ্গাইবার মনির। অন্যদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অনেক অভিযোগ রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানাগেছে, ‘বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠনের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী এমদাদুল হক দুলাল, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ আজাদ ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা কামাল চিশতিকে।
সে অনুযায়ী প্রথম দিকে কাজী এমদাদুল হক দুলাল ও খালেদ হোসেন স্বপন পৃথকভাবে দু’জন করে চার জনের নাম প্রস্তাব করে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের দু’জনকে দুটি পদের জন্য একজন করে দু’জনের নাম দিতে বলা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান দুলালের মনোনিত প্রার্থীর নাম বাদ দিয়ে শুধুমাত্র মাত্র স্বপনের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়েই কমিটি গঠন করা হয়। এমনকি কমিটি নিয়ে বিতর্কের জন্ম দেয়া কামাল এবং মনির দু’জনই স্বপনের ঘনিষ্ট সহচর এবং তার অবৈধ মাদক ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি করায় উপজেলার বঞ্ছিত এবং তৃনমুল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ভয়ে কেউ নিজেদের নাম প্রকাশ করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। বিতর্কিত কমিটি নিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।বিতর্কিতদের নিয়েই গঠন হলো বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ !
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দেশ জুড়ে আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান চলছে। এ অভিযানে অনুপ্রবেশকারী, মাদক সেবী, চাঁদাবাজ ও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চলা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে দলটি। কিন্তু সেই মুহুর্তে বিতর্কিতদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি। এ কমিটিতে এলাকার চিহ্নিত মাদক সেবী এবং চাঁদাবাজি মামলার আসামিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে উপজেলার নেতৃবৃন্দর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানাগেছে, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে তৃনমুল আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করণ কাজ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। মুল দলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নতুন করে গঠন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে গত ৭ নভেম্বর বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা কমিটি। এই কমিটিতে সভাপতি মো. কামাল হোসেন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক বুবুল সমাদ্দারকে করা হয়েছে। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদে বাবুল মাঝি ও আনিচুর রহমান টিটু এবং যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে মো. মনির হোসেন ও ডালিম কাজীকে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ‘কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এইসব পদে যারা স্থান পেয়েছেন তারা সাবাই বিতর্কিত। রয়েছে মাদক সংশ্লিষ্টতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। এর মধ্যে সভাপতি পদে আসা মো. কামাল হোসেন এলাকার সর্বোচ্চ বিতর্কিত বলে জানাগেছে। উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের বাসিন্দা কামাল হোসেন এলাকায় ডিজিটাল কামাল নামেই পরিচিত। কেউ কেউ তাকে উপজেলার অন্যতম ইয়াবা স¤্রাট বলেও আখ্যা দিয়েছে। নতুনহাট, রাহুতকাঠি, চরসাদুকাঠি বাজার, বাহেরচর মেডিকেল, নতুন চর উচ্চ গ্রামের দুটি ইটের বাটায় চললে তার ইয়াবার পাইকারী ব্যবসা। এসব করতে গিয়ে ক্ষমতাসিন দলের নামটিই ব্যবহার করছেন ডিজিটাল কামাল। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে ইটভাটায় চাঁদাবাজির অভিযোগে এক আওয়ামী লীগ নেতা মামলাও করেন। বিতর্কের বাইরে নেই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ওরফে ম্যাগ্গাইবার মনির। অন্যদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অনেক অভিযোগ রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানাগেছে, ‘বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠনের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী এমদাদুল হক দুলাল, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ আজাদ ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা কামাল চিশতিকে।সে অনুযায়ী প্রথম দিকে কাজী এমদাদুল হক দুলাল ও খালেদ হোসেন স্বপন পৃথকভাবে দু’জন করে চার জনের নাম প্রস্তাব করে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের দু’জনকে দুটি পদের জন্য একজন করে দু’জনের নাম দিতে বলা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান দুলালের মনোনিত প্রার্থীর নাম বাদ দিয়ে শুধুমাত্র মাত্র স্বপনের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়েই কমিটি গঠন করা হয়। এমনকি কমিটি নিয়ে বিতর্কের জন্ম দেয়া কামাল এবং মনির দু’জনই স্বপনের ঘনিষ্ট সহচর এবং তার অবৈধ মাদক ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি করায় উপজেলার বঞ্ছিত এবং তৃনমুল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ভয়ে কেউ নিজেদের নাম প্রকাশ করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। বিতর্কিত কমিটি নিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT