ষড়যন্ত্রে মনপুরার গণধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আসামী | | ajkerparibartan.com ষড়যন্ত্রে মনপুরার গণধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আসামী – ajkerparibartan.com
ষড়যন্ত্রে মনপুরার গণধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আসামী

3:09 pm , November 2, 2019

ভোলা অফিস ॥ ভোলার মনপুরায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষনের ঘটনায় প্রকৃত ৪ ধর্ষককে আড়াল করতে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নজরুল ইসলামকে সভাপতিকে আসামী করা হয়েছে। ইউপি নির্বাচনের বিরোধীতার জের ও ঘাট ইজারাসহ ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারনে ইউপি চেয়ারম্যান অলিউল্লাহ কাজল ভিকটিমকে ব্যবহার করে ছাত্রলীগ নেতা মোঃ নজরুল ইসলামকে ফাসিয়েছেন। ধর্ষকদের কবল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়া নজরুলকেই ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে মামলার আসামী করা হয়। গতকা রশনিবার সকালে ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মলনে মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলামের স্ত্রী রিমা বেগম লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ তুলে ধরে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নজরুলের বাবা আলী আজগর ও মা পিয়ারা বেগম।
রিমা বেগম জানান, তার পরিবার আওয়ামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। নজরুল পড়া লেখা করার পাশাপাশি ছাত্রলীগ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। গত ইউপি নির্বাচনে নজরুলসহ তার পরিবার বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ অলিউল্লাহ কাজলের পক্ষে ছিলেন না। এমনকি গত বছর থেকে জনতাবাজার থেকে রামনেওয়াজ রুটের খেয়াডাক ও ঘাট ইজারা নিয়েও বিরোধ দেখা। বর্তমানে নজরুল এলাকায় যে কোন সমাজিক কাজে জড়িত থাকেন। সবার বিপদে এগিয়ে যান। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েক প্রভাবশালী নজরুলকে ফাসাতে ওঠে পড়ে লাগেন। গত ২৬ অক্টোবর চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকে এক নারী স্পিডবোট যোগে মনপুরার জনতা বাজার আসার জন্য যাত্রী হন। একই সময় আরো ২জন যাত্রী ওঠেন। পথে আরেক ঘাট থেকে ওঠেন আরো দুই যাত্রী। এরাই চরপিয়ালে স্পিডবোট নামিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন যা নজরুলকে জানিয়েছেন নির্যাতিতা নারী। স্পিডবোট চালকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে ঘটনা স্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেন এবং ধর্ষক লম্পট ৪ জনকে মারধর করেন। এসব ঘটনা ওই নারীরর কাছ থেকে মোবাইলে রেকর্ড করেন নজরুল। নির্যাতিতার অনুরোধে নজরুল ফের স্পিডবোট যোগে কথা মতো তাকে তার বাপের বাড়ি চরফ্যাশনে পৌছে দেন। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান অলিউল্লাহ কাজল জানতে পেরে ওই দিন সন্ধ্যায় ওই নারীকে ফের চরফ্যাশন থেকে নিয়ে আসেন। প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদে রাখেন। পরে রাতেই পুলিশকে খবর দিয়ে থানায় সোপর্দ করেন। মনপুরা থানায় ওই নারী প্রথমে চারজনকে আসামী করে মামলা দিতে যান।পরে রহস্যজন কারণে নজরুল ও বোট চালক সহ ৬ জনকে আসামী করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনার একদিন পরেই নজরুল মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন। কিন্তু বিভিন্ন মহলের চাপে তাকে রাত ১২ টায় পুলিশ গ্রেফতার করে। অপরদিকে ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও মূল ধর্ষক (আসামী) ৪ জন গ্রেফতার হয় নি। এরা হচ্ছেন মোঃ বেল্লাল পাটোয়ারী ( ৩৫), মোঃ রাশেদ পালোয়ান ( ২৫), মোঃ কিরণ ( ২৬), মোঃ শাহীন খান (২২)। এসব আসামীরা ওই নারীর পূর্ব পরিচিত উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নজরুলের স্ত্রী প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করার জন্য সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে নিরাপরাধী কেউ যেন মিত্যা মামলার জন্য শাস্তিভোগ না করেন তারও দাবি জানান।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT