স্বর্ণ ব্যবসায়ী সহ ডাকাত দলের আট সদস্য আটক: লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার | | ajkerparibartan.com স্বর্ণ ব্যবসায়ী সহ ডাকাত দলের আট সদস্য আটক: লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার – ajkerparibartan.com
স্বর্ণ ব্যবসায়ী সহ ডাকাত দলের আট সদস্য আটক: লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার

3:09 pm , August 22, 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মহানগরী এলাকার ক্লু-লেস একটি দুর্ঘর্ষ ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ। এছাড়াও ঘটনার সাথে জড়িত ডাকাত দলের ৬ সদস্য সহ ৮ জনকে গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে তারা। গ্রেফতারকৃতরা হলো- বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে আব্দুস ছালাম হাওলাদার (৩৫), একই উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের কাটাদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মো. মনির হাওলাদার (৩০), বানারীপাড়া উপজেলার মসজিদ বাড়ি এলাকার মো. মান্নান শেখের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল শেখ (৪০), উজিরপুর উপজেলার উত্তর লস্কুরপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম বেপারীর ছেলে মো. মাছুম বেপারী (৩৫), ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সূর্যপাশা গ্রামের মৃত আলমগীর হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল হাওলাদার (৩৫) ও মাসুম বেপারী (৩৫)। এছাড়াও ডাকাত চক্রের সহযোগী ও লুন্ঠিত মালামাল ক্রয়ের অপরাধে ভান্ডারিয়া উপজেলার ফরাজি মার্কেটের ব্যবসায়ী ও চোরাই স্বর্ণের ক্রেতা আশিষ কর্মকার (৩০) এবং একই উপজেলা সদরের কর্মকার পট্টির হৃদয় জুয়েলার্সের মালিক আশোক কর্মকারকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাকাতির ঘটনার এক মাসের মাথায় মহানগরীর বন্দর থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ছয় সদস্য সহ আটজনকে গ্রেফতার করেন। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর আমতলার মোড়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের ৫ম তলার সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান-পিবিএম (বার) সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ১০ জুলাই দিবাগত রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানাধীন টুঙ্গিবাড়িয়ার ধোপাকাঠি এলাকার সৈয়দ মোস্তফা কামাল ওরফে হুমায়ুন মীর এর বাড়িতে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাত সদস্যরা ঘরের সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লক্ষাধিক টাকা’র মালামাল লুট করে। এই ঘটনায় বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। ওই মামরার সূত্রধরে সহকারী কমিশনার (বন্দর থানা) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত এবং বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে ডাকাতির ঘটনার ক্লু-খুঁজে পায় পুলিশের ওই টিম। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক এক করে ৬ ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশের ওই চৌকস টিম। এমনকি তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী স্বর্ণালংকার, এলইডি টিভি, মোবাইল সহ বিভিন্ন লুন্ঠিত মালামাল এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সেলাই রেঞ্জ, ছোট শাবল, দা, স্ক্রু ড্রাইভার, মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ডাকাতির মালামাল ক্রয়ের অপরাধে দু’জনকে আটক করা হয়। পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইন এবং ডাকাতি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পরে ডাকাত দলের আট সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে জেলে হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা সবাই আদালতের কাছে ডাকাতির ঘটনায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার এর দায়িত্বে ছিলেন চৌকশ পুলিশ কর্মকর্তা প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী। ওই সময় তিনি বরিশাল-ঢাকা নৌ রুটের এমভি পারাবত লঞ্চ থেকে ৯ হাজার ৮শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে ওই ঘটনার সূত্র ধরে আরো ১৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই সময় এটি মহানগর পুলিশের একটি বড় সফলতা ছিলো।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT