জাতীয় গ্রীডে ত্রুটিতে বিপর্যয়ে ২১ জেলার বিদুৎ | | ajkerparibartan.com জাতীয় গ্রীডে ত্রুটিতে বিপর্যয়ে ২১ জেলার বিদুৎ – ajkerparibartan.com
জাতীয় গ্রীডে ত্রুটিতে বিপর্যয়ে ২১ জেলার বিদুৎ

7:08 pm , July 26, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে জাতীয় গ্রীডে গোলযোগের কারনে গতকাল দুপুর ১১টা ৫৫মিনিটে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের রেশ ধরে দেশের পশ্চিম জোনের ২১টি জেলায় একযোগে উৎপাদন ও সরবারহ বন্ধ হয়ে যায়। ঘন্টা খানেকের চেষ্টায় দুপুর ১টার দিকে চাহিদার এক পঞ্চমাংশেরও কম সরবারহ শুরু করা হলেও পরিস্থিতি স্বভাবিক হতে সন্ধা গিড়য়ে যায়। জাতীয় গ্রীডের এ গোলযোগের কারনে বরিশাল, ভোলা, খুলনা, ভেড়ামাড়া, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর সহ পশ্চিম জোনের সবগুলো উৎপাদন ইউনিট একযোগে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সন্ধার আগে আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবার সম্ভবনা নেই বলে একাধীক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। গত শুক্রবারও জাতীয় গ্রীডের বরিশাল-গোয়ালপাড়া ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে গোলযোগের কারনে সমগ্র দক্ষিনাঞ্চলে কয়েক ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ ছিল। সব উৎপাদন ইউনিটও একযোগে বন্ধ হয়ে যায়।

দুপুর ১১টা ৫৫মিনিটের সময় আকষ্মিকভাবেই জাতীয় গ্রীড লাইনে ফ্রিকোন্সেী কমে গিয়ে ট্রিপ করার সাথে পশ্চিম জোনের সবগুলো উৎপাদন ইউনিটও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বরিশাল ও খুলনা বিভাগ এবং ফরিদপুর অঞ্চলের ২১টি জেলার বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, সরবারহ ও বিতরন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবেই ভেঙে পড়ে। ফলে এ অঞ্চলের প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ একযোগে বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পড়ে। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবগুলো ছোট-বড় হাসপাতাল সহ পানি সরবারহ ব্যবস্থা পর্যন্ত বিপর্যয়ের কবলে পড়ে। সব শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসা-বানিজ্যেও চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হয়।

দুপুর ১২টা ৩৫মিনিটের দিকে পূর্বজোন থেকে সামান্য কিছু বিদ্যুৎ এনে আঞ্চলিক লোড ডেসপাস সেন্টার হয়ে পর্যায়ক্রমে পশ্চিম জোনের সবগুলো ২৩০ কেভি ও ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন সহ গ্রীড সাব-স্টেশনগুলো চালু করা সম্ভব হয়। এর পরে অতি সিমতি আকারে কিছু জরুরী পরিসেবার ফিডারে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়া হয়। তবে উৎপাদন ইউনিটগুলো ট্রিপ করায় তা চালু করতে সময় লেগেছে ২-৩ঘন্টা। পূর্বজোন থেকেও চাহিদা মাফিক পশ্চিম জোনে বিদ্যুৎ দেয়া সম্ভব হচ্ছিলনা। সন্ধায় এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পশ্চিম জোনের ২১জেলায় চাহিদা প্রায় এক হাজার মেগাওয়াটের স্থলে সরববারহ ছিল ৮শ মেগায়াটের মত।

পর্যয়ক্রমে বরিশাল, খুলনা ও ভেড়ামাড়ার উৎপাদন ইউনিটগুলো সচল করা সম্ভব হলেও ভোলার ২২৫মেগাওয়াটের কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার স্টেশনটির দুটি ইউনিট সন্ধার আগে সচল হবার সম্ভব হয়নি। তৃতীয় থার্মাল পাওয়ার ইউনিটটি উৎপাদনে আসতে সময় লাগবে আরো কমপক্ষে ৪৮ঘন্টা।

গত শুক্রবার বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলে এক দফা গ্রীড বিপর্যয়ের সাত দিনের মাথায়াই গতকাল (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় দফায় আরো বড় বিপর্যয়ে সমগ্র পশ্চিম জোনে বিদ্যুতের চরম হাহাকার নেমে আসে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT