ঘ্রানে খাদ্যমান পরীক্ষা! | | ajkerparibartan.com ঘ্রানে খাদ্যমান পরীক্ষা! – ajkerparibartan.com
ঘ্রানে খাদ্যমান পরীক্ষা!

3:08 pm , June 15, 2019

সাঈদ পান্থ ॥ বরিশালে খাদ্যমান পরীক্ষা যেন ‘ঢাল নাই তলোয়ার নেই, নিধিরাম সর্দার’। কোন ধরনের যন্ত্রপাতি বা ল্যাব পরীক্ষা ছাড়াই চলছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। যার কারণে সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাচ্ছে না। আর এ কারণে সঠিকভাবে অপরাধীদের চিহিৃত বা সাজা প্রদান করা যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরকে গতিশীল করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ল্যাবের প্রয়োজনীয়তা দাবী করেছেন বরিশালের সুশিল সমাজ। গত শুক্রবার উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ি শুক্রবার বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডের ফলের বাজারে অভিযান চালিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। অভিযানে সহায়তা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর। এ সময় তারা ২০টি আড়তে অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু সেখানে ফরমালিন ও কার্বাইট পরীক্ষার জন্য কোন যন্ত্র ছিল না। ফলে তারা চোখে দেখে ও নাকে শুকে পরীক্ষ করেছেন। তবে এ বিষয়ে কোন আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে নি। বাধ্য হয়ে তারা মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ২ আড়ৎ মালিককে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি বাকি আড়ৎদারদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও বিষযুক্ত ফল বাজার জাত না করার জন্য সর্তক করেন। এ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চারজন সহকারি কমিশনারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ দত্ত বলেন, ‘যোগ্যতা ছাড়া অভিযান চালনা ঠিক নয়। এতে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। আর অপরাধিকেও সাজা দেয়া যায় না। তাই অভিযান করতে হলে সেই যোগ্যতা নিয়ে অভিযান চালানো দরকার। লোক দেখানো অভিযানের কোন ভিত্তি নেই। অভিযান হালকাভাবে নয়, শক্ত ও কঠিনভাবে হওয়াই বাঞ্ছনিয়।’
অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শোই্য়াব মিয়া জানান, ‘২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার আইনটি হয়। এর পর ২০১২ সাল থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে সারা দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করে। এখানে এখনো পদ নির্নয়ই করা হয়নি। ফলে ফরমালিন, কার্বাইট দেয়া হয়। আবার অনেক খাবারে রং, ফ্লেভার, হাইড্রেজ দেয়া হয়। এর মধ্যে কিছু কিছু ভেজাল আমরা খালি চোখেই দেখতে পারি। তবে কিছু কিছু পন্যের মান সঠিক জানতে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয়। তাই সঠিকভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য একটি ল্যাব জরুরী।’
বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, ‘খালি চোখে বা নাকে গন্ধ শুকে সঠিকভাবে মান সর্ম্পকে জানা যায় না। তবে অনেক ক্ষেত্রে ওই পন্যের নমুনা সংগ্রহ করে বিএসটিআই এর মাধ্যমে পরীক্ষার মাধ্যমে এর মান যাচাই বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে আরো যন্ত্রপাতি ও ল্যাব থাকা জরুরী।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো: শাহাবুদ্দিন খান (পিপিএম বার) বলেন, ‘ফলে ফরমালিন বা অন্য কোন রাসয়নিক দ্রব্য আছে কিনা বুঝতে হলে ল্যাবে পরীক্ষা করতে হয়। তবে ফরমালিন টেষ্টের জন্য যে যন্ত্রটি রয়েছে সেটি নিয়ে জটিলতা থাকার কারণে উচ্চ আদালত তা সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। তবে কিছু কিছু পণ্যে ভেজাল আছে কিনা তা দেখলে বা একটু পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেই পাওয়া যায়। সব চেয়ে ভাল হয় ল্যাবে পরীক্ষা করতে পারলে সঠিকমানটি পাওয়া যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT