১২নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে শহীদুল্লাহ ॥ পিছিয়ে নেই ভুলু | | ajkerparibartan.com ১২নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে শহীদুল্লাহ ॥ পিছিয়ে নেই ভুলু – ajkerparibartan.com
১২নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে শহীদুল্লাহ ॥ পিছিয়ে নেই ভুলু

6:41 pm , June 9, 2018

রুবেল খান ॥ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। যিনি ওই ওয়ার্ডে ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ে হ্যাট্রিক করেছেন। শুধু তাই নয়, ওয়ার্ডবাসীর কাছে তার জনপ্রিয়তা এতটাই যে এ পর্যন্ত তার প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে যেই নির্বাচন করেছেন সবাই জামানত হারিয়েছেন। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও বিজয়ের শতভাগ নিশ্চয়তা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। অবশ্য এবারের নির্বাচনেও থেমে নেই প্রতিদ্বন্দ্বিরা। এ পর্যন্ত কেএম শহীদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে সম্ভাব্য তিন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। যার মধ্যে দু’জনই আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং অপরজন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনিত প্রার্থী। সম্ভাব্য তিন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হলেন- ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন ভুলু, সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান চৌধুরী টুটুল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১২নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারী মো নূর আলম। তবে এদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ ও মো. জাকির হোসেন ভুলুর মধ্যে লড়াই হবে বলে ধারনা ভোটারদের।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের প্রথম নির্বাচিত কাউন্সিলর আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৩ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন ভুলু। যিনি প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে মাত্র ৭৩৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে ৪ হাজার ৩শ’ ভোটের মধ্যে এক হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। এর পূর্বে তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা সেলিমও জামানত হারিয়েছিলেন।

কেএম শহীদুল্লাহ’র জনপ্রতিয়তা শুধুমাত্র ওয়ার্ডবাসীর মধ্যেই নয়, বরং নগর পরিষদেও রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচিত প্যানেল মেয়র এর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। যার মধ্যে ২০০৮ এর নির্বাচনের পরে ২নং প্যানেল মেয়র এবং বর্তমানে ১নং প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি মেয়াদে এ পর্যন্ত ৬ বার ভারপ্রাপ্ত মেয়র এর দায়িত্ব পালন করেছেন আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিসিসি’র অর্থ সংস্থাপন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ১২নং ওয়ার্ডে গতবারের তুলনায় এবারে ভোটার সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৮৬০ এ দাড়িয়েছে। যার মধ্যে ওয়ার্ডের দক্ষিণ আলেকান্দা অংশেই ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩০৫ জন। এছাড়া চরেরবাড়ি ও খ্রিষ্টান কলোনী এলাকা মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা ৮৮৩ জন।

ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে আলাপকালে দেখা যায়, একজন বিএনপি নেতা হওয়া সত্ত্বেও ওয়ার্ডটিতে জনসমর্থনের দিক থেকে এখনো এগিয়ে আছেন বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি সহ সর্বমহলেই তার জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারীপক্ষের ভোটারদের সমর্থন বেশি তার। সম্প্রতি সময়ে তাকে নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় মুখরোচক সংবাদ প্রকাশ হলেও তার প্রভাব ভোটারদের মধ্যে দেখা যায়নি। বরং ওইসব ঘটনাকে কেএম শহীদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মনে করছেন ভোটাররা।

এদিকে আলাপকালে বিসিসি’র ১নং প্যানেল মেয়র, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র, মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ বলেন, নিজের জন্য নয়, ওয়ার্ডবাসীর সেবা এবং উন্নয়ন করতেই কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। ইতিপূর্বে আমি ভোটারদের যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তার কোনটাই অপূর্ন নেই। বরং তার থেকে বেশিই দিয়েছি। রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছি। মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করেছি। সব থেকে বড় অবদান হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সহযোগিতায় ১২নং ওয়ার্ডটিকে মাদকমুক্ত রেখেছি। বাল্য বিবাহ মুক্ত এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ডে পরিনত করেছি আমার ওয়ার্ডটিকে। যা ইতিপূর্বে অন্য কোন ওয়ার্ড কাউন্সিলর করে দেখাতে পারেনি। ঝামেলামুক্ত আমার ওয়ার্ডে গত পাঁচ বছরে একটি মাত্র সালিশ করতে হয়েছে। সালিশ করে পার্সেন্টেজ বাণিজ্য না করে বরং নিজের পকেটের টাকা দিয়ে হলেও দুই পক্ষের বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, অনেক ওয়ার্ড রয়েছে যার বসবাসকারীরা জানে না বিসিসি থেকে বয়স্কভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা দিয়ে থাকে। কিন্তু আমার ওয়ার্ডটি সে দিক থেকেও পুরোপুরি ব্যাতিক্রম। ওয়ার্ডের ২৭২ জন প্রকৃত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ভাতা পাচ্ছে। ৬ জন পাচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতা। ২শ’র উপরে মা’কে মাতৃত্বকালিন ভাতা দিয়েছি। যার মধ্যে কোন লুকোচুরি ছিলো না। ৯৯ ভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা করে দিয়েছি ওয়ার্ডটিতে। যে কারনে এখনো আমি ওয়ার্ডবাসীর কাছে জনপ্রিয়। ধর্ম, জাত কিংবা দল বিচার করিনি। সবাইকে একই চোখে দেখেছি। এসব কারনে একটি বিশেষ মহল আমার বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে। যাতে আমার জনপ্রিয়তা কমে যায়। কিন্তু তাদের ওই ষড়যন্ত্র ভোটারদের কাছে আমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে ছাড়া কমেনি।

কেএম শহীদুল্লাহ বলেন, আমি চতুর্থ বারের মত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ওয়ার্ডবাসীর মতামতও গ্রহন করেছি। তারা আমাকেই পুনরায় ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান। আগামী ৩০ জুলাই’র নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ন হলে জনগন তাদের সুচিন্তিত রায় আমার পক্ষেই দিবে।

ওদিকে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১২নং ওয়ার্ড থেকে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জাকির হোসেন ভুলু। বিগত নির্বাচনে ভোট পেতে যেসব ভুলত্রুটি ছিলো তার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ২০১৩ সালে আলহাজ্ব কেএম শহীদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মো. জাকির হোসেন ভুলু। তখন তিনি মাত্র ৭৩৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছিলেন। এজন্য অবশ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি না থাকা এবং অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহন ও দেশব্যাপী হেফাজত ইসলামের ইস্যু এবং মিথ্যা প্রচার-প্রচারনাকেই দায়ি করেছেন ব্যবসায়ী জাকির হোসেন ভুলু।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে অল্প সময় নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমেছিলাম। যে কারনে ভোটারদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করতে পারিনি। নিজের পক্ষে প্রচার প্রচারনা চালাতে পারিনি। তবে এবারের নির্বাচনে পূর্বের সব ভুলত্রুটি সমাধান করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। গত পাঁচ বছর ধরেই ওয়ার্ডবাসীর খোঁজ খবর নিচ্ছি। তাদের যে কোন সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করছি। যে কোন সামাজিক আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। ওয়ার্ড এবং ওয়ার্ডবাসির উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করেছি। ওয়ার্ডবাসির সাথে এখন আমার যোগাযোগ ও সু-সম্পর্ক আরো নিবিড় হয়েছে। তাই জনগনই এবার আমাকে নির্বাচনের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন থেকে আমাকে সমর্থন জানিয়েছে। এখন মূল আওয়ামী লীগের সমর্থনের আশা করছি।

এদিকে ওয়ার্ডে খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, ভোটারদের সাথে যোগাযোগবৃদ্ধি সহ বিভিন্ন কারনে গতবারের থেকে এবারে জাকির হোসেন ভুলুর সমর্থন অনেকটা বেড়েছে। যা ভোটের রাজনীতিতে কেএম শহীদুল্লাহকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে পারে। অবশ্য ওয়ার্ডের কিছু সচেতন মহল এমনকি আ’লীগের কর্মী-সমর্থকরা এখনো জাকির হোসেন ভুলু’র বিরোধিতা করছে। যার কারন জাকির হোসেন ভুলু’র বর্তমান ও পূর্বের কিছু ইতিহাস। ওইসব ভোটাররা অভিযোগ করেন, জাকির হোসেন ভুলু একসময় পেশাদার জুয়ারী ছিলেন। নগরীর চাঁদমারী এলাকায় ছিলো তার জুয়ার আসর। তাছাড়া বর্তমানে তিনি যেসব লোকজন নিয়ে ঘোরা ফেরা করেন তার মধ্যে অনেকেই মাদক বিক্রি এবং সেবন এর সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে মাদক সহ আটক হয়ে জেলে থাকা বাবু কয়েকদিন আগেই জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সে এখনো জাকির হোসেন ভুলু’র সাথে থাকছেন। অবশ্য কারোর ব্যক্তিগত সমস্যা ভোটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার কিছু সংখ্যক ভোটার। তাদের মতে গতবারের চেয়ে এবার ভুলুর অবস্থা অনেকটা ভালো। বিশেষ করে কেএম শহীদুল্লাহ’র কিছু ঘটনা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে ১২নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য নতুন কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে ওই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান চৌধুরী টুটুলের। তিনিও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। একজন পেশাদার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান চৌধুরী টুটুল বলেছেন, বিগত নির্বাচনে জাকির হোসেন ভুলুকে আমিই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামিয়েছিলাম। কিন্তু বিগত দিন থেকেই ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে চাচ্ছে। কেননা আমি কোন স্বার্থ ছাড়াই তাদের পাশে দাড়িয়েছি। জনগন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের লোকজন আমাকে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য জোর দিচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই নির্বাচনে নামতে হচ্ছে। আমি সবসময়ই ওয়ার্ডবাসীর বিপদে আপদে পাশে থেকেছি।

দলীয় সমর্থনের আশাবাদী মফিজুর রহমান চৌধুরী টুটুল বলেন, ১২নং ওয়ার্ডে আমার পরিবারের মধ্যে ৭২টি ভোট রয়েছে। এছাড়া ওয়ার্ডের মধ্যে জ্ঞাতি-গোষ্ঠি মিলিয়ে যে ভোট রয়েছে তা বিজয়ের জন্য যথেষ্ট। তবে ভোটাররা জানিয়েছেন টুটুল চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে সেটা ভুলুর পক্ষে যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দুইজনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় কেএম শহীদুল্লাহ’র জন্য সুবিধাজনক হয়েছে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশ থেকে মনোনিত ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো নূর আলম। অন্যান্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে প্রচার প্রচারনায় নেমে পড়লেও খোঁজ খবর নেই তার। তবে নিজ এলাকা ভিত্তিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রার্থী মো. নূর আলম এর সমর্থন রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT