৪নং ওয়ার্ডে লড়াই হবে হেভিওয়েট ইউনুস ও বাদশা'র মধ্যে | | ajkerparibartan.com ৪নং ওয়ার্ডে লড়াই হবে হেভিওয়েট ইউনুস ও বাদশা’র মধ্যে – ajkerparibartan.com
৪নং ওয়ার্ডে লড়াই হবে হেভিওয়েট ইউনুস ও বাদশা’র মধ্যে

6:23 pm , June 1, 2018

রুবেল খান ॥ গত বারের চেয়ে এবারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও কমিউনিস্ট পার্টি সহ মোট ৫ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে নির্বাচনী এলাকায়। তবে প্রার্থী বাড়লেও গতবারের ন্যায় এবারেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র দুই প্রার্থীর মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশংকা করছেন ভোটাররা। এই দুই প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি মো. ইউনুস মিয়া। অপরজন মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম বাদশা। এই দুই প্রার্থীকে ঘিরেই ভোটারদের মধ্যে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। ভোটের আগেই দু’জনকে নিয়ে ভালোমন্দের হিসাব নিকাশ করছেন তারা। এর বাইরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যারা নির্বাচনী আলোচনায় রয়েছেন তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাউনিয়া থানা শাখার সহ-সভাপতি হাফেজ মো. আবুল বাশার বাদশা, কমিউনিস্ট পার্টির অঙ্গ সংগঠন ট্রেড ইউনিয়নের নেতা সুমন দত্ত এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মৃত এমদাদ শরীর এর ছেলে মো. একরাম হোসেন রিমন শরীফ।

সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, বিসিসি’র একটি গুরুত্বপূর্ন ওয়ার্ড হচ্ছে ৪ নাম্বার ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের বর্ধিত অংশ হচ্ছে মহাবাজ এলাকা। সব মিলিয়ে এই ওয়ার্ডে বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৭শ’র মত। তবে ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনের সময় ওই ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ছিলো সাত হাজারের বেশি। ওই নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. ইউনুস মিয়া ও সাবেক কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম বাদশা। জয়-পরাজয়ে এদের ভোটের পার্থক্য ছিলো মাত্র ১২১ ভোট। তিন হাজার ৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন ইউনুস মিয়া এবং ২ হাজার ৯৮৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন তৌহিদুল ইসলাম বাদশা। তবে এবারের নির্বাচনে ফলাফল পাল্টে যাওয়ার আশংকা ফুটে উঠেছে ওয়ার্ড পরিক্রমায়। কেননা এই ওয়ার্ডের ভোটাররা গত প্রায় পাঁচ বছরে উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকটাতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই সাথে জনপ্রতিনিধিদের সাথে জনগনের সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছেন তারা। ওয়ার্ডবাসীর সেই হিসাব নিকাশের মাধ্যমে ফুটে উঠছে বর্তমান কাউন্সিলরের অসহযোগিতা, অনুন্নয়ন, স্বজনপ্রীতি সহ বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য। তবে এমনসব অভিযোগকে প্রতিপক্ষের অপপ্রচারের চেষ্টা বলে দাবী করেছেন কাউন্সিল ইউনুস মিয়া।

চার নাম্বার ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে আলাপকালে জানাগেছে, গত প্রায় পাঁচ বছরে অনেকটাই জনবিচ্ছিন্ন ছিলেন কাউন্সিলর ইউনুস মিয়া। তিনি এলাকাভিত্তিক উন্নয়ন করেননি। করেছেন স্বজনপ্রীতি। গড়েছেন অর্থ-সম্পদের পাহাড়। এমন অভিযোগ তুলে চার নাম্বার ওয়ার্ডের অধীন মহাবাজ এলাকার বাসিন্দা সাঈদ মেমন জানিয়েছেন, বর্ধিত এলাকা হিসেবে যে উন্নয়ন এই এলাকায় হওয়ার কথা চিলো তার কিছুই হয়নি। বরং সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নে জনগনকে এড়িয়ে চলেছেন কাউন্সিলর। যার দরুন দুর্ভোগ আর যন্ত্রনায় দিন কাটাতে হচ্ছে মহাবাজ এলাকার মানুষের।

তিনি বলেন, এলাকাবাসির দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশন থেকে মহাবাজ এলাকায় বৈদ্যুতিক বাল্ব লাগানোর কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু তাতে বাঁধা দেন কাউন্সিলর ইউনুস মিয়া। যে কারনে বাল্ব না লাগিয়ে ফিরে আসতে হয় বিসিসি’র বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। ফলে অন্ধকারে পথ চলতে হচ্ছে মহাবাজ এলাকার মানুষের।

এদিকে নগরীর ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা শাহ মুনির বলেন, ইউনুস মিয়া কাউন্সিলর হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তিনি ওয়ার্ডবাসীর কোন কাজে আসেন নি। তিনি সর্বদা নিজের চিন্তাই আগে করেছেন। সারাক্ষন সিটি কর্পোরেশনেই পরে থাকেন। ভোটারদের সাথে তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে। তাছাড়া ওয়ার্ডের উন্নয়ন কি করেছেন তার নজির সামান্য বৃষ্টি এলেই বোঝা যায়। সামান্য বৃষ্টিতে হাটু সমান জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে ভোটারদের চলাচলের প্রধান সড়কটিতে। যা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ফ্রিজ সহ অন্যান্য মালামাল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সড়কের পাশে ময়লা আবর্জনার স্তুপ জমা হওয়ায় পথচারীদের নাকে রুমাল চেপে হাটতে হচ্ছে। ইতিপূর্বে ভাটিখানা এলাকায় একটি ড্রেন নির্মানের জন্য এসেছিলেন ইউনুস মিয়া। সেখানে অনিয়ম করায় এলাকার লোকজন সেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

ওয়ার্ডের অধিনস্ত রোকেয়া আজিম সড়কের বাসিন্দা আব্দুল মোতালেব বলেন, আমরা যে সিটি এলাকার বাসিন্দা তা রাস্তার দিকে তাকালে মনে হয় না। কেননা দীর্ঘ বছর ধরে এখানকার চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বড়ই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। নেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা। বৃষ্টি এলে জলাবদ্ধতায় সীমাহীন ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। গত পাঁচ বছরে কাউন্সিলর এইদিকে কয়বার খোঁজ খবর নিয়েছেন তা তিনি নিজেও বলতে পারবে না। এমনকি সমস্যা সমাধানের জন্য কাউন্সিলর ইউনুস মিয়ার কাছে গেলে তিনি এলাকাবাসীর কথা শোনার সুযোগও দেননি।

ওদিকে চার নং ওয়ার্ডের অধীনে রয়েছে মাহমুদিয়া মাদ্রাসা। যেখানে শত শত শিক্ষার্থী লেখা-পড়া করছে। এখানে অনেক রথি-মহারথিরাও এসে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটিয়ে যায়। কিন্তু সেই মাদ্রাসা বাহিরের চিত্র দেখে যে কেউ হতবাক হচ্ছেন। কেননা ওয়ার্ডের অধিনে মাদ্রাসা থাকলেও এর কোন খোঁজ খবর বা মাদ্রাসাটিতে উন্নয়নে এগিয়ে আসছে না ওয়ার্ড কাউন্সিলর। শুধু তাই নয়, ওয়ার্ডের অধীন স্ব-রোড, ভাটিখানা সড়ক এবং আমানতগঞ্জ সড়কের যে দুরাবস্থা তা ওই সড়কগুলো দিয়ে চলাচল করতে গেলেই বোঝা যায়।

এদিকে ওয়ার্ডের একাধিক সূত্র অভিযোগ করেন, ইউনুস মিয়া কাউন্সিলর হওয়ার পর পরই রহস্যজনক কারনে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেছে। একাধিক স্থানে গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ি। চার নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেও থাকেন ৬নং ওয়ার্ড পুরান কয়লাঘাট এলাকায়। যে কারনে এলাকার ভোটারদের সাথে তার যোগযোগ কম। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে অবস্থান নিয়ে ট্যাক্স এর দালালীর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সড়ক বাতি নিজ ক্ষমতায় বন্টন এমনকি বিসিসি থেকে কাজ এনে তা অন্য ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এক অটো চালককে নির্যাতন করে বেশ আলোচনার সৃষ্টিও করেছিলেন তিনি। ওই অটোরিক্সা চালককে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে তিন দিন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে এলাকায় পোস্টারিং হয় বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তবে এসব অভিযোগের কোন সত্যতা নেই দাবী করে আসন্ন সিটি নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর ইউনুস মিয়া বলেন, ইতিপূর্বে তিনবার এই ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করেছি। যার মধ্যে দুই বারই কাউন্সিলর হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৩ সালে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে প্রথম হয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রথম কমিশনার ছিলাম। এর পর ২০১৩ সালে দ্বিতীয়বারের মত কাউন্সিলর হয়েছি।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ থাকলে অপপ্রচার থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কেননা গত পাঁচ বছরে আমি এই ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন করেছি তা গত ১০ বছরে করতে পারেনি। টিবি’র পুকুরে চার পাশে ওয়াকওয়ে নির্মান এটা আমার অবদান। বর্তমানে শহীদ সুকান্ত বাবু শিশু পার্কের যে কাজ চলমান রয়েছে তার প্রস্তাবনা এবং উদ্যোক্তাও আমি। আমার অনুরোধেই শিশু হাসপাতাল নির্মানের জন্য অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এমপি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাছাড়া এ পর্যন্ত ৪০ কোটির বেশি টাকা ব্যয়ে রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছি ওয়ার্ডটিতে। রোকেয়া আজিম সড়ক ও তৎসংলগ্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। যা খুব শিঘ্রই আলোরমুখ দেখবে। এছাড়া স্ব-রোড, ভাটিখানা এবং আমানতগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে প্রায় ৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। তাও খুব শিঘ্রই আলোর মুখ দেখবে। আমার ওয়ার্ডের অধিনস্ত বর্ধিত এলাকা মহাবাজ এলাকাকে আলোকিত করেছি। এক কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক বাতির ব্যবস্থা করে দেয়ায় শহরের সাথে ওই এলাকার পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। এসব কিছুর পরেও যারা অপবাদ এবং অভিযোগ করছে তারা নিশ্চয়ই আমার বিরোধী পক্ষ। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে তারা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে মাত্র। তার পরেও আমি পুনরায় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এতসব উন্নয়ন দেখে জনগন যদি চায় তাহলে আমি নির্বাচন করব। আর না চাইলে সে বিষয়টিও ভেবে দেখবো।

এদিকে চার নাম্বার ওয়ার্ডের অপর কাউন্সিলর প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম বাদশা। যিনি ইতিপূর্বে আরো দু’বার নির্বাচন করেছেন। এর মধ্যে ২০০৮ সালে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন তিনি বিএনপি নেতা ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরে তৎকালীন মেয়র শওকত হোসেন হিরন’র হাত ধরে দল পরিবর্তন করেন। বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এর বাইরে চার নাম্বার ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতবারের নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সহ বিভিন্ন কারন চিহ্নিত করেছেন। সেই সব জটিলতা এড়িয়ে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর চৌহিদুল ইসলাম বাদশা।

তিনি বলেন, যখন কাউন্সিলর ছিলাম, তখন জনগনের খেদমত এবং পাশে থাকার চেষ্টাই করেছি। সবার সুযোগ-সুবিধা এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। তাছাড়া ওয়ার্ডের বর্তমান যে পরিস্থিতি বিরাজমান তা আমার আমলে ছিলো না। কেননা কাউন্সিলর থাকাবস্থায় চার নং ওয়ার্ডে ৬৭ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছি। যা এখনো দৃশ্যমান রয়েছে। অর্থ-সম্পদের পাহাড় গড়িনি, বরং এলাকাবাসির চাহিদা ও দাবী অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করেছি। তাই পুনরায় কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছি। দলের সমর্থনও রয়েছে। এখন ভোটাররা যদি মনে করে আমাকে প্রয়োজন রয়েছে, তবে তারা আমাকেই নির্বাচিত করবে।

এদিকে ওয়ার্ডের অপর তিন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী হাফেজ আবুল বাশার বাদশা ওয়ার্ডের একাংশ ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়। তিনি ভোটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে মো. একরাম হোসেন রিমন শরীফ এলাকায় পরিচিত মুখ হলেও ভোটের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন সেটাই প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। তবে কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী সুমন দত্ত’র বিষয়ে আলোচনা নেই নির্বাচনী এলাকায়। তিনি এলাকার অপরিচিত মুখ বলেও দাবী করছেন অনেকে। তাই নির্বাচনে তিনি কিছু ভোটের ক্ষতি করা ছাড়া অন্য কোন উপকারে আসবে না বলেও মনে করছেন সচেতন ভোটাররা।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
: SYSTEM DEVELOPMENT :
SPIDYSOFT IT GROUP