কুয়াকাটা সৈকতে মৃত তিমি | | ajkerparibartan.com কুয়াকাটা সৈকতে মৃত তিমি – ajkerparibartan.com
কুয়াকাটা সৈকতে মৃত তিমি

5:53 pm , May 19, 2018

এনইউ সোহাগ, কলাপাড়া ॥ পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেলিন জাতের একটি মৃত তিমি জোয়ারের পানির সাথে ভেসে এসে আটকে পরেছে। শনিবার সকালে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে চার কিলোমিটার পূর্বদিকে সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন সৈকতে আটকে পরে। এটি প্রায় ৪৫ ফুট লম্বা এবং প্রায় ২০ফুট প্রশস্ত। কুয়াকাটা  সৈকতে শনিবার ভোরে জেলে ও আগত পর্যটকদের নজরে আসে।  মুহূর্তে মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে যায়। এ খবর পেয়ে পর্যটক ও স্থানীয় লোকজন মাছটিকে একনজর দেখার জন্য  ভিড় করেন সেখানে। স্থাণীয় জেলেদের ধারণা  গভীর সমুদ্রে অন্তত ১৫দিন আগে এ তিমি মাছটি মারা গেছে। বিশালাকৃতির তিমি মাছটি উদ্ধার করে সংরক্ষনের মাধ্যমে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য উম্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন পর্যটনমুখী ব্যবসায়িরা।

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডলাইফ কনজার্ভেশন সোসাইটির মেরিন এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর ফারহানা আখতার কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা তিমি মাছ প্রসঙ্গে বলেন, এটি ব্রিডিস তিমি বা বেলিন তিমি। এদের দাঁত থাকেনা, এর বদলে ছাঁকনির মত অংশ থাকে। যার মাধ্যমে এরা পানি থেকে ছোট ছোট মাছ ও চিংড়িজাতীয় প্রাণী খেয়ে বাঁচে। এরা সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ ফুটের মত লম্বা হয়ে থাকে। কালো থেকে ধূসর বর্ণের এই তিমির পেটের দিকটা অনেকটা হালকা ক্রিম রংয়ের। এদের মাথাটি খাটো ও চওড়া এবং মাথায় তিনটি সমান্তরাল খাঁজ থাকে, যা দিয়ে সহজেই এদের আলাদা করা যায়। এরা সাধারণত ১২ বছর বয়স থেকে বাচ্চা জন্ম দিতে পারে।

বাংলাদেশের জল সীমানায় সোয়াচ-অব-নো গ্রাউন্ড এলাকায় এদেরকে সচরাচর দেখা যায়।

বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান বলেন, আমরা একটি মৃত তিমি ভেসে আসার খবর পেয়েছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে এটিকে শিক্ষার্থী এবং পর্যটকদের জন্য কোনভাবে সংরক্ষণ করা যায় কি-না সেটি ভেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT