সবজি বাজারে জিম্মি ক্রেতারা ॥ বাধ্য হয়ে দ্বিগুন দামে ক্রয় করছে | | ajkerparibartan.com সবজি বাজারে জিম্মি ক্রেতারা ॥ বাধ্য হয়ে দ্বিগুন দামে ক্রয় করছে – ajkerparibartan.com
সবজি বাজারে জিম্মি ক্রেতারা ॥ বাধ্য হয়ে দ্বিগুন দামে ক্রয় করছে

6:23 pm , May 18, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ রমজানের শুরুতেই বেড়েছে সবজির দাম। প্রথম দিনেই দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। বিক্রেতাদের দাবী ক্রেতা চাহিদার কারনে বেড়েছে সবজির দাম। এছাড়াও বৃষ্টির কারনে পাইকারি বাজারে সবজি না থাকায় কিছুটা বেশি দামেই সবজি ক্রয় করতে হয়েছে তাদের। তাই আগের চেয়ে সামান্য বেশি দামে সবজি বিক্রয় করছেন বিক্রয় করছেন তারা। নগরীর নতুন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের প্রথম দিনে ক্রেতা সাধারন তাদের প্রয়োজনীয় সবজি কেনার জন্য বাজারে ভিড় করছে। আর এই সুযোগ নিয়ে গত কয়েকদিনের তুলনায় অনেকটা বেশি দামেই সবজি বিক্রয় করেছে দোকানিরা। এছাড়াও যেকোন সবজিই বিক্রি করছেন একদরে। যার কারনে ক্রেতাদের অনেকটা বাধ্য হয়েই বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। সবজি বাজার ঘুরে আরো দেখা গেছে, যে সবজি দুইদিন আগেও ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে তা গতকাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, শসা ১০০ টাকা, বেগুণ ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, কাঁচাকলা ৪০ টাকা, ঢেরস ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০-৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, কচু আকার অনুযায়ী ৬০-৯০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, বাধাকপি ৩০-৩৫ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ধনে পাতা ১২০ টাকা প্রতি কেজি, লাউ আকার অনুযায়ী ৪০-৬০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, লেবু ২০ টাকা হালি, চালকুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও লাল শাক আঁটি প্রতি ২৫-৩০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, পাট শাক ২০ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, ডাটা শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান নতুন বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন ও বাদশা সহ কয়েকজন দোকানী।
সবজি বিক্রেতারা আরো জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণে সবজির আমদানি না থাকায় তাদেরকে পাইকারী বেশি দামে সবজি ক্রয় করতে হচ্ছে। যার কারণে তারা পূর্বের তুলনায় সামান্য কিছু বেশি দামে তারা সবজি বিক্রি করছে। তবে সবজির কেজিপ্রতি তারা ৫-১০ টাকার বেশি লাভ করেন না বলেও দাবি করে বলেন, পাইকারি কেনার পরে পরিবহনে কিছু সবজি নষ্টও হয়ে যায়। তাতে করে তাদের লাভের পরিমাণ খুব বেশি থাকেনা বলেও উল্লেখ করেন তারা। তবে রমজানের মধ্যে সবজির আমদানি বৃদ্ধি পেলে তারাও কমদামে সবজি বিক্রি করতে পারবেন।
অপরদিকে ক্রেতা সাধারণ জানান, রমজানের প্রথম দিনেই সবজির বাজারে যেন আগুন লেগেছে। পূর্বের থেকে দ্বিগুণ দামে সবজি বিক্রি করছেন তারা। এমনকি দোকানীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবজি বিক্রির কারণে এক দামেই ক্রয় করতে হচ্ছে তাদের। দরদাম করে কেনার কোন সুযোগ নেই। ক্রেতারা আরও জানান, অন্যান্য মাসে না থাকলেও রমজানে সবজি বাজার সহ ভোগ্যপণ্যের জন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা উচিত। মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখা হলেও সেটা শুধু বিলবোর্ডেই সীমাবদ্ধ থাকে। বাজার মূল্যে এর কোন প্রভাব দেখা যায়না বলে দাবি করেন তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT