ধর্মের মা ডেকে প্রতারণা | | ajkerparibartan.com ধর্মের মা ডেকে প্রতারণা – ajkerparibartan.com
ধর্মের মা ডেকে প্রতারণা

6:14 pm , May 16, 2018

রাজাপুর প্রতিবেদক ॥ রাজাপুরের মানকি গ্রামের এছাহাক হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদারের বিরুদ্ধে মঠবাড়ি গ্রামের দুবাই প্রবাসী আজগর আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগমকে ধর্মের মা ডেকে বাসায় আসা যাওয়ার সুযোগ নিয়ে চেক, দলিল, সোনার গহনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উল্টো ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কহিনুর বেগম ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এবং রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে বুধবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে কহিনুর বেগম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে জানান, মানকি গ্রামের এছাহাক হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদার মঠবাড়ি গ্রামের দুবাই প্রবাসী আজগর আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগমকে ধর্মের মা ডেকে বাসায় আসা যাওয়া সুযোগে গত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে কৌশলে ঘরের আলমিরা খুলে কোর্ট ফাইল থাকা কহিনুরের স্বাক্ষরকৃত সোনালী ব্যাংকের ৩টি চেক (নং ৩০০২২৯০, ৩০০২২৯১ ও ৯৩২৮৯৬৯) ৫টি জমির দলিল, ৪টি পর্চা, জাতীয় পরিচয়, মেয়ের জন্মসনদ, ছেলের এসএসসির সনদ, আলমিরার মধ্যে থাকা ৪০ হাজার টাকা, ২টি সোনার চেইন, ২ জোড়া কানের বালা, ১টি আংটিসহ মোট ৩ ভরি সোনার গহনা নিয়ে মনির নিয়ে যায় এবং গোপনে সোনালী ব্যাংক থেকে কহিনুরের একাউন্ট (নং ১১৪৬০) থেকে ১২ টাকা উত্তোলন করে নেয়। বাড়িতে বেড়াতে এলে তার মেয়েকেও নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো মনির কিন্তু তা প্রত্যাখান করলে মনির ওই মেয়ের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়। কিন্তু সু-চতুর প্রতারক মনির কহিনুরের ছেলেকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত করে নানাভাবে হেয় করে। পরে কহিনুর বিষয়টি বুঝতে পেরে এ ঘটনা ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন এবং মনিরের বিপক্ষে অবস্থান নিলে তার বিবাহিত মেয়ের মেয়ের বিরুদ্ধে এলাকায় নানা অপপ্রচার শুরু করে। কহিনুর বেগম আরও অভিযোগ করেন, মনিরের কাছে থাকা ২টি চেকের মাধ্যমে বর্তমানে কহিনুরের কাছে ৭ লাখ টাকা দাবি করে আসছে অন্যথায় কহিনুরের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলাসহ নানা হুমিক ও ভয়ভীতি দিয়ে দেখাচ্ছে। নিরুপায় হয়ে কহিনুর বাদি হয়ে মনিরের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত ৭ মে মামলা দায়ের করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির হাওলাদারের মতামতের জন্য তার ব্যবহৃত নম্বরে (০১৭৮৭২৪০৪৩৭) একাধিক বার কল দিলেও তা রিসিভ করেনি। রাজাপুর থানার এসআই ফিরোজ আলম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুয়ায়ী দলিল ও চেক উদ্ধারপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT