কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শেবাচিম'র প্রশাসনিক কর্মকর্তার সহ তিনজনকে শোকজ | | ajkerparibartan.com কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শেবাচিম’র প্রশাসনিক কর্মকর্তার সহ তিনজনকে শোকজ – ajkerparibartan.com
কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শেবাচিম’র প্রশাসনিক কর্মকর্তার সহ তিনজনকে শোকজ

6:28 pm , May 7, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়োগ দুর্নীতিতে আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল জলিল’র দুই স্ত্রীসহ তিনজনকে শোকজ করা হয়েছে। গত ৬ মে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কাদির তাদেরকে তিন দিনের মধ্যে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেন। শোকজ প্রাপ্তরা হলো প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল জলিল’র দুই স্ত্রী অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) ছালমা বেগম ও নাসিমা হক ডেইজী। এরা দু’জনেই দুর্নীতিতে আলোচিত নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে চাকুরী পেয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে তারা যোগদান করেছে। শোকজ প্রাপ্ত অপরজন হলেন, শেবাচিম হাসপাতালে ঝাড়–দারদের সর্দার মো. জাফর ফকির।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৩ মে পরিচালক হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গাইনী বিভাগ পরিদর্শন করেন। এসময় ওই তিনজনকে কর্মস্থলে পাননি তিনি। তাদের অনুপস্থিতির কারনে হাসপাতালের রোগীদের সেবার কাজে চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। এ অপরাধ সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮ এর পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের কারনে কেন ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না তার সন্তোষ জনক জবাব নোটিশ জারীর তিন দিনের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালকের কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে প্রসুতী বিভাগের দায়িত্বরত নার্সিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছালমা বেগম এবং নাছিমা হক ডেইজীকে তাদের ওয়ার্ডে ডিউটি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের জন্য ওয়ার্ডে আসেন না। এমনকি তারা ওয়ার্ড মাষ্টার, ওয়ার্ড কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও কোন প্রকার ছুটি নেননি। স্বামী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার দাপটে দুই স্ত্রীই নতুন চাকুরী পাওয়া পরেও দায়িত্ব অবহেলা করছে।
অপর সূত্রে জানায়, তৎকালিন পরিচালক ডা. নিজাম উদ্দিন ফারুক’র সময়ে দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয় শেবাচিম হাসপাতালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনি কর্মচারী নিয়োগ। ওই নিয়োগে চাকুরী পান নিয়োগ দুর্নীতির বরপুত্র প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল জলিলের দুই স্ত্রী, শ্যালক এবং ভাই। এদের মধ্যে অন্যান্য কর্মচারীরা যোগদান করলেও জলিলের দুই স্ত্রী কর্মস্থলে যোগদান করেনি। তার যোগদানের আগেই নিয়োগ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে যোগদানকৃত ২১৫ জনের চাকুরী ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে মামলা হয়। সেই ২১৫ জনের মধ্যে ছিলেন না জলিলের দুই স্ত্রী। কিন্তু আদালত থেকে আদেশ দেয়ার পর পরই ওই ২১৫ জনের সাথে হাসপাতালে যোগদান করেন জলিল দুই স্ত্রী ছালমা বেগম ও নাছিমা হক ডেইজী। দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে চাকুরী, এর পর দুর্নীতির মাধ্যমে যোগদান। এমনকি এর পরেও কর্মস্থলে কাজ না করেই প্রশাসনিক কর্মকর্তা জলিলের দুই স্ত্রীর বেতন উত্তোলনের পরিকল্পনা ধরা পড়েছে পরিচালকের কাছে। অবশ্য হাসপাতালের বিশেষ মহলের ধারনা জলিলের দাপটে এ দফায়ও তার দুই স্ত্রী শাস্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাবেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT