বোরহানউদ্দিনের দালাল বাজার এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ, দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা | | ajkerparibartan.com বোরহানউদ্দিনের দালাল বাজার এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ, দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা – ajkerparibartan.com
বোরহানউদ্দিনের দালাল বাজার এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ, দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা

2:44 pm , March 18, 2020

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বোরহানউদ্দিন উপজেলার দালাল বাজার এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলার ঘটনা ঘটেছে।
জমির দলিলপত্র ও ভোলা জজকোর্টের সিনিয়রআইনজীবী কার্তিক চন্দ্র সাহা প্রদত্ত্ব আইনগত মতামত এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারি কর্মকর্তা মো. সুজাউদ্দৌলা সিকদার প্রদত্ত তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের চকডোষ মৌজায় ৬৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মো. আলমগীর। জমির বিক্রেতা ছিলেন কিরণ চন্দ্র দাস। জেএল ৫৮, দলিল নং ৪৯৪০, তারিখ ১৯-১২-২০১২। সেই থেকে এই জমি আলমগীর গংরা ভোগ দখলে রয়েছেন।
কিন্ত একই দাগের এই জমির পূর্বের মালিক কিরণ চন্দ্র দাস ছালেহা বেগমের কাছে জমি দ্বিতীয়বার বিক্রি করেন। যার দলিল নং ৪২৩৫। তারিখ ১৮-১২-২০১৭।
একই জমি দুই পক্ষের কাছে বিক্রি করে কিরণ চন্দ্র দাস স্বপরিবারে ভারত চলে যান। আর এই জমি নিয়েই চলছে আলমগীর গং বনাম ছালেহা গংদের দ্বন্ধ-সংঘাত, হামলা-মামলার একাধিক ঘটনা। বোরহানউদ্দিন থানায় দুপক্ষ দায়ের করেছে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা।
জমির দলিলপত্র ও ভোলা জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী কার্তিক চন্দ্র সাহা প্রদত্ত্ব আইনগত মতামত এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারি কর্মকর্তা মো. সুজাউদ্দৌলা সিকদার প্রদত্ত তদন্ত প্রতিবেদন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার এ বিষয়ে সুরাহার জন্য বসলেও কোন চুড়ান্ত সুরাহা হচ্ছে না।
জমির প্রথম ক্রেতা মো. আলমগীর গংরা জানান, জমির কাগজপত্র সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বসে সম্প্রতি আমাদেরকে যে, সমাধান দিয়েছেন আমরা তা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এরপরই রাতে আমাদের জমির সীমানা পিলার উপড়ে ফেলে দেন ছালেহা গংরা ((ছলেমান, সেলিম, খোকন, সোহেল প্রমুখ) । বিষয়টি আমরা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করেছি।
অপরদিকে ছালেহা গংরা গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের প্রতি ন্যায় বিচার হয়নি, তাই আমরা এসব সালিশ মিমাংসা মানিনা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কাচিয়া ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দ্বীন ইসলাম বলেন, আমরা কাগজপত্র দেখে উভয়পক্ষকে ডেকে বিষয়টির সমাধান করে দেয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ছালেহা গংরা (ছলেমান, সেলিম, খোকন, সোহেল) সমাধানে আসতে চাইছেন না। তাদের কাগজপত্রে দুর্বলতা থাকায় তারা সমাধান চাইছেন না বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। আগামী ২৮ মার্চ উভয়পক্ষকে বোরহানউদ্দিন থানায় মীমাংসার জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেম্বার দ্বীন ইসলাম।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT