ভোলার মেঘনা নদী থেকে জাল, নৌকা সহ ১৩ জেলে আটক ॥ ১ বছর করে কারাদ-ভোলা অফিস ॥ | | ajkerparibartan.com ভোলার মেঘনা নদী থেকে জাল, নৌকা সহ ১৩ জেলে আটক ॥ ১ বছর করে কারাদ-ভোলা অফিস ॥ – ajkerparibartan.com
ভোলার মেঘনা নদী থেকে জাল, নৌকা সহ ১৩ জেলে আটক ॥ ১ বছর করে কারাদ-ভোলা অফিস ॥

3:41 pm , March 1, 2019

 

শুক্রবার (১ মার্চ) থেকে ২ মাসের জন্য ভোলার মেঘনা- তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সবধনের মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে সরকার। এসময় ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রী বন্ধ থাকবে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার প্রথমদিনেই এসব অভ্যায়শ্রমে চুরি করে মাছ ধরতে দেখা গেছে অনেক জেলেকে। সকাল থেকে বেচাকেনা হয়েছে মাছঘাটগুলোতেও। এদিকে দিনভর অভিযান চালিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে ১৩ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ও মৎস্যবিভাগ। আটককৃত প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমানআদালত। গতকাল সকালে সদর উপজেলার তুলাতুলির মেঘনায় গিয়ে দেখা যায় ঘাট সংলগ্ন নদীতে মাছ ধরছে কিছু জেলেরা। বছরের অন্য সময় নদীজুড়ে নৌকা- ট্রলারে ভরপুর থাকলে গতকাল সংখ্যা কিছুটা কম ছিল। ঘাটেও মাছ বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি দেখে কিছু সময় বেচাকেনা বন্ধ রাখে আড়ত মালিকরা। ক্যামেরা সরিয়ে নেওয়ার পর আবারও শুরু হয় কেনাবেচা। এদিকে সকাল ৯টায় তুলাতুলি মসজিদঘাট থেকে কোস্টগার্ড ও মৎস্যবিভাগকে অভিযানে নামতে দেখা যায়। দিনভর অভিযান চালিয়ে মেঘনার বিভিন্ন স্থান থেকে মাছধরা অবস্থায় ১৩ জেলেকে আটক করে তারা। আটককৃতরা হলেন, মো. শাহে আলম, মো. রুবেল, ফারুক, মফিজল ইসলাম, মো. ইউনুছ, শাজাহান, সবুজ, আবদুর রব, মো. জসিম, নুর উদ্দিন, রুবেল-২, হানিফ ও মো. কালাম। এদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৩টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও প্রায় ১২ হাজার মিটার জাল। জালগুলো নদীর পাড়ে আগুনে পুড়িয়ে ধংস করা হয়। সদর উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, অভয়াশ্রমে কেউ যেন মাছ ধরতে না পারে সে জন্য প্রতিটি উপজেলা ২টি করে টিম গঠন করা হয়েছে। কোস্টগার্ড, মৎস্যবিভাগ ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত এসব টিম প্রতিদিন টহল দিবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি মাছের উৎপাদন বাড়াতে সবধরনের ব্যবস্থা নিবেন তারা। এছাড়া নিষেধাজ্ঞাকালিন বেকার জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সহায়তা দ্রুত বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর ৯০ কিলোমিটার ও চর ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চর রুস্তম পর্যন্ত তেতুঁলিয়া নদীর ১০০কিলোমিটার নদী অভয়াশ্রমের আওতাধীন। তবে আটককৃত জেলেদের দাবি বিকল্প কর্মসংস্থান নাথায় পরিবার পরিজনের ভরণ পোষনের জন্য বাধ্য হয়ে তারা নদীতে নামছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ




মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT